এক বছরে সাড়ে ৪ লাখ বিয়ের প্রস্তাব!

সুন্দরী-শিক্ষিত মেয়ে কিংবা সুদর্শন-সরকারি চাকরিজীবীর ক্ষেত্রে বিয়ের প্রস্তাব অন্য যেকোনো নারী কিংবা পুরুষের চেয়ে একটু বেশিই পেয়ে থাকেন।

কিন্তু তাই বলে এক বছরে অর্থাৎ ৩৬৫ দিনে সাড়ে ৪ লাখ প্রস্তাব! অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি। তবে এই পাত্রী কোনো ছেলে বা মেয়ে নয়। এক সফটওয়্যার! নাম গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট।

ভারতীয় গণমাধ্যমে খবর, গত বছরই তাকে লঞ্চ করেছিল গুগল। প্রায় সমস্ত মোবাইল ফোন ও অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনেই তার দেখা মেলে। ভারতের সাড়ে ৪ লাখ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী তাকেই বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে বসেছে।প্রতিবেদনে বলা হয়, গুগল হোমের প্রোডাক্ট ম্যানেজমেন্টের ভাইস প্রেসিডেন্ট ঋষি চন্দ্রণ জানিয়েছেন এই আশ্চর্য তথ্য। ভারতে এই সফটওয়্যারটি খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠছে বলে জানান তিনি। কেবল ইংরেজি নয়, গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট এখন প্রশ্ন করে হিন্দিতেও।

গুগলে সার্চ করার কাজে সাহায্য করতে স্বতঃস্ফূর্ত হয়ে এসে গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট জিজ্ঞেস করে ‘‘হাই, হাউ ক্যান আই হেলপ?’’ এরপর প্রয়োজনীয় তথ্যের জন্য প্রশ্ন না করে অনেকেই রসিকতা করে বিবাহ প্রস্তাব দিয়েছে তাকে। জানতে চেয়েছে, ‘‘ওকে গুগল, উইল ইউ ম্যারি মি?’’

গুগল হোম ও গুগল হোম মিনি স্মার্ট স্পিকারের উদ্বোধনের অনুষ্ঠান ছিল বুধবার। এইদিনই ঋষি এই মজার খবরটি দেন সবাইকে।

এসএইচ-১৫/১২/০৪ (অনলাইন ডেস্ক, তথ্যসূত্র: এবেলা)

কোন রাশির মেয়েরা কেমন
ভাবুন আপনার জীবনে রয়েছে খুব গুরুত্বপূর্ণ এক নারী। কিন্তু তাকে আপনি কিছুতেই বুঝে উঠতে পারছেন না। এটা ঠিক যে প্রতিটি মানুষের রয়েছে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য। নারীদের জন্যে সেটা আরও বেশি প্রযোজ্য। কিন্তু একটা উপায় আছে যাতে সেই নারীর মন আপনি একটু হলেও বুঝতে পারবেন। কি সেই উপায়? সেটা হলো ওই নারীর রাশি। প্রতিটি মানুষের ব্যক্তিত্ব আলাদা।

কিন্তু রাশির ওপর ভিত্তি করে একজন মানুষের ব্যক্তিত্বে দেখা যেতে পারে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য। এই বৈশিষ্ট্য আবার লিঙ্গ ভেদে আলাদা হয়। যেমন মেষ রাশির নারী যে কাজটি করবে, একই রাশির পুরুষ হয়তো সেই কাজটি করবে না। এই মূলনীতির ওপর ভিত্তি করে দেখে নিন কোন রাশির নারীরা কেমন ব্যক্তিত্বের অধিকারী হয়ে থাকেন।

মেষ (মার্চ ২১-এপ্রিল ১৯)

জীবনের সব ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিতে পছন্দ করে মেষ রাশির নারী। সহজাত নেতৃত্ব দেবার ক্ষমতা থাকে তাদের। সকালে তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠার প্রবণতা দেখা যায় তাদের মাঝে। প্রতিটা দিন কর্মচঞ্চল করে রাখার ব্যাপারে তাদের জুড়ি নেই। কখনও কখনও নিজের ক্ষমতার বেশি কাজের ভার নিয়ে ফেলে তারা। অনেক সময়ে একটা কাজ শেষ না করেই আরেকটা শুরু করে দেয়। জীবনের ব্যাপারে আশাবাদী হয়ে থাকেন মেষ রাশির জাতিকা। একটা ভালো কাজ করার সুযোগ পেলে তারা সেটা করে ফেলবে, এতে তার নিজের কতখানি লাভ হলো সেটা নিয়ে চিন্তা করবে না। নিজের মতামত জানানোর ব্যাপারে একেবারেই ঠোঁটকাটা তারা।

কখনও কখনও মেষ নারী এতই সফল হয়ে থাকে যে অন্যরাও তার মতো হতে চায় (যদিও পেরে ওঠে না)। প্রেমের ক্ষেত্রে মেষ নারী কেমন হয়? মেষ রাশির প্রতীক চালিত হয় আগুনের উপাদানে। এ থেকেই বোঝা যায়, মেষ নারীর প্রেমও হয় তেমনই উষ্ণ। প্রেমের ক্ষেত্রে মেষ নারী নিজেই উদ্যগ নিয়ে থাকতে পারে কিন্তু তার সঙ্গীকেও হতে হয় শক্তিশালী ব্যক্তিত্বের অধিকারী। সঙ্গী পুরুষের ব্যক্তিত্ব দুর্বল হলে খুব দ্রুত আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন মেষ নারী। মেষ নারীর সাথে তর্ক হলে তেমন বিচলিত হবেন না। এই তর্কের মাধ্যমেও সম্পর্ক পোক্ত হয়ে উঠতে পারে।

বৃষ (এপ্রিল ২০- মে ২০)

প্রথম দেখায় বৃষ নারীকে মনে হবে খুব শান্তশিষ্ট, মিষ্টি প্রকৃতির। সাধারণত তিনি আপনার সাথে এমন মিষ্টি আচরণই করবেন, কিন্তু রেগে গেলে তবেই তার আসল রূপ দেখতে পাবেন। বৃষ নারীর চরিত্রের “সুগার কোটিং”-এর নিচে রয়েছে আগুনে মেজাজ। এর আওতায় না পড়ার চেষ্টা করুন। তবে ভালোবাসার ছোট্ট ছোট্ট উপহার পেতে পছন্দ করেন বৃষ নারী। তাকে উৎসর্গ করতে পারেন নিজের তৈরি একটি কবিতা অথবা অন্যরকম কিছু ফুল, সাথে অবশ্যই আন্তরিক অনুভুতি। রাগ গলে পানি হয়ে যাবে।

বৃষ নারীর অন্যতম একটি বৈশিষ্ট্য হলো, তারা হয়ে থাকে খুবই একগুঁয়ে। কোনো কিছু পাওয়ার জন্য কোমর বেঁধে লাগেন তারা। মানসিক শক্তির দিক দিয়েও তারা যথেষ্টই কঠোর। তবে যতই কঠোর হোক না কেন, তারা যথেষ্ট মমতাময়ী হয়ে থাকেন।

বৃষ নারী হয়ে থাকেন বিচক্ষণ এবং ধৈর্যশীল। এ কারণে তার সফলতা আসে প্রচুর। বৃষের উপাদান হলো মৃত্তিকা, আর তাই তার মাঝে মাতৃসুলভ বৈশিষ্ট্য দেখা যায়। প্রকৃতির সাথে মিলেমিশে শান্তিতে থাকতেই পছন্দ করেন বৃষ নারী। জীবনে নিরাপত্তার অনুভুতি পেতেও তিনি পছন্দ করেন। সাধারণত বৃষ নারী একই ভুল বার বার করেন না। ভালোবাসার ক্ষেত্রে ধীরস্থির এবং মিষ্টি ভাব নিয়ে অগ্রসর হোন বৃষ নারীর দিকে। একটু সময় নিয়ে সম্পর্ক গড়ে তুলতে তারা পছন্দ করেন। প্রেমের ক্ষেত্রে তাকে তাড়া না দেওয়াই ভালো। কিছু সীমানা মেনে চলেন তারা। এবং সঙ্গীরও উচিত এই সীমানাকে শ্রদ্ধা করে চলা।

মিথুন (মে ২১- জুন ২১)

একজন মিথুন নারীকে বুঝে ওঠা বেশ কঠিন। আকাশের মেঘ ধরে রাখা যেমন কঠিন, মিথুনের মন বোঝাও তেমনি কঠিন। কারণ একজন নয়, তার মাঝে দেখতে পাবেন বহু নারীর ছায়া। কেউ কেউ মিথুন নারীর চরিত্রে বিরক্ত হতে পারেন, কিন্তু তারা নিজেদের ব্যক্তিত্বে স্বতন্ত্র। ক্ষণে ক্ষণে তার মাঝে পরিবর্তন আসতে পারে। পৃথিবীর সব কিছু নিয়ে তার মাঝে কৌতূহলের শেষ নেই। অনেক ক্ষেত্রেই সৃজনশীলতা দেখা যায় তার মাঝে। আশাবাদী মনোভাব থাকার কারণে যে কোনো পরিস্থিতিতে তিনি মানিয়ে নিতে পারেন।

মিথুন রাশির প্রতীকে রয়েছে একটি নয়, বরং দুইটি সত্ত্বা। মিথুন রাশির জাতিকার ব্যক্তিত্বে একটি নয়, বরং দুই বা তারও বেশি স্বাতন্ত্র্য দেখা যায়। এর ফলে তার ব্যক্তিত্ব অস্থিতিশীল মনে হতে পারে। প্রেমের ক্ষেত্রে একটু খুঁতখুঁতে হতে পারেন মিথুন নারী। তবে তিনি নিজের পছন্দের সেই ভাগ্যবান ব্যক্তিকে খুঁজে পেলে তখন আর কোনও রকমের সংকোচ করেন না নিজের অনুভূতি প্রকাশে। আর এই সম্পর্ক সাধারণত হয়ে থাকে দীর্ঘস্থায়ী।

কর্কট (জুন ২২- জুলাই ২২)

কর্কট নারীর চরিত্রে চাঁদের প্রভাব প্রবল। চাঁদের কলা বাড়া-কমার মতই ওঠানামা করে কর্কট নারীর মেজাজ। সাধারণত তিনি যথেষ্ট সহজ সরল এবং শান্তিপ্রিয়। তবে তার অনুভুতি হতে পারে অনেক অনেক জটিল। সবগুলো রাশির মাঝে কর্কট নারীর বৈশিষ্ট্য নির্ণয় করা সবচাইতে কঠিন। এরা হয়ে থাকে খুব খুব স্পর্শকাতর। বিশেষ করে কর্কট নারীকে সমালোচনা করার ব্যাপারে খুব সাবধান থাকুন।

এই সমালোচনা তারা সারা জীবন মনে রাখবে। বুদ্ধির পাশাপাশি কর্কট নারীর অনুমানশক্তিও হয় খুব প্রখর। কোনও ব্যক্তির ব্যাপারে খুব কম জেনেও সে আসলে ভালো না খারাপ তা ধারনা করে নিতে পারে কর্কট নারী এবং এই ধারনা সাধারণত ঠিক হয়ে থাকে। অন্যদের ব্যাপারে সহানুভূতি দেখাতেও কর্কট নারী সিদ্ধহস্ত। প্রেমের ব্যাপারে কর্কট নারীকে একটু সময় দিতে হবে। হুট করে তারা প্রেমে জড়িয়ে পড়তে নারাজ। সঙ্গীকে তারা বিশ্বাস করতেও সময় নেন। এছাড়া খুব সহজেই কষ্ট পান তারা। এসব কারণে সম্পর্কের প্রাথমিক পর্যায় একটু ঝড়ো হলেও পরবর্তী পর্যায়ে সম্পর্ক অনেক মিষ্টি হয়ে ওঠে।

সিংহ (জুলাই ২৩- অগাস্ট ২২)

এই রাশির নারীর মাঝে সিংহের বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করা যায়। তারা আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে থাকেন সাধারণত। তাকে না ঘাঁটানোই ভালো। নাখোশ হয়ে গেলে উপহার এবং মিষ্টি মিষ্টি কথা দিয়ে তাকে ঠাণ্ডা করে নিতে হবে আগে। তারা যেমন বুদ্ধিমতী হয়ে থাকেন, তেমনি শক্তিশালী চরিত্র এবং সৃজনশীলতা দেখা যায় তাদের মাঝে। প্রেমের ক্ষেত্রে এই রাশির নারী কোনও রকমের ছাড় দিতে রাজী হন না।

তাকে খুশি করতে পারলে আপনার সম্পর্ক হয়ে উঠতে পারে প্রেমের গল্পের মতই রোমান্টিক এবং একই সাথে ড্রামাটিক। সঙ্গীর জীবনে তিনি হয়ে থাকতে চান সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং একই সাথে সঙ্গীকে তার প্রাপ্য গুরুত্ব দিতেও তিনি পিছ পা হন না।

কন্যা (অগাস্ট ২৩- সেপ্টেম্বর ২২)