তিন মাসে ৮৩ লাখ ভিডিও উধাও!

কমিউনিটি গাইডলাইন বা নির্ধারিত নির্দেশিকা ভঙ্গ করায় ব্যবহারকারীদের আপলোডকৃত ৮৩ লাখ ভিডিও মুছে ফেলেছে ভিডিও শেয়ারিং সাইট ইউটিউব। সাইটটির পক্ষ থেকে দেওয়া একটি ব্লগপোস্টকে উদ্ধৃত করে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম জানায়, গত বছরের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত এ তিন মাসে ভিডিওগুলো সরানো হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে ইউটিউব কর্তৃপক্ষ তাদের সাইটে সহিংস এবং আক্রমণাত্মক কন্টেন্ট পোস্ট হওয়াজনিত সমালোচনা ঘোচানোর চেষ্টা করছে বলেও উল্লেখ করেছে।

ইউটিউব হলো গুগলের মূল প্রতিষ্ঠান অ্যালফ্যাবেটের অধীনে পরিচালিত কোম্পানি। সহিংস এবং আক্রমণাত্মক ভিডিও সরাতে ইন্টারনেটভিত্তিক যেসব কোম্পানিগুলো জাতীয় সরকার ও ইউরোপীয় ইউনিযনের চাপের মুখে রয়েছে তার মধ্যে ইউটিউবও একটি।

উগ্রপন্থী ও নৃশংস ভিডিও পোস্ট করা ঠেকানোর অক্ষমতা নিয়ে তুমুল সমালোচনার মুখে থাকা ইউটিউব সম্প্রতি তাদের প্রথম ত্রৈমাসিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

আরও খবর : উইকিপিডিয়া পেইজ প্রিভিউ সুবিধা চালু করেছে

ইউটিউবের দাবি, সমস্যা মোকাবিলার ক্ষেত্রে এ প্রতিবেদনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রথম পদক্ষেপ। নিজস্ব প্ল্যাটফর্ম থেকে সহিংস কন্টেন্ট মুছে ফেলতে ইউটিউব যে অগ্রগতি করেছে তা এ প্রতিবেদনের মধ্য দিয়ে বোঝা যাবে বলেও দাবি করেছে কোম্পানিটি।

একটি ব্লগপোস্টে ইউটিউব জানায়, ২০১৭ সালের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে ৮০ লাখেরও বেশি ভিডিও সরিয়েছে ইউটিউব। পোস্টে আরও বলা হয়, এ ৮০ লাখ ভিডিওর একটা বড় অংশ স্পাম কিংবা প্রাপ্তবয়স্ক কন্টেন্ট। আপলোড করার চেষ্টার সময় এগুলো শনাক্ত করা হয়েছে।

কমিউনিটি গাইডলাইন বাস্তবায়নের জন্য ২০১৮ সালের শেষ নাগাদ ১০ হাজারেরও বেশি লোককে নিয়োগ দেওয়ার অঙ্গীকার করেছে গুগল। ইউটিউবে তারা পুরোপুরি না হলেও অনেকাংশে হিউম্যান রিভিউয়ার (মানব পর্যবেক্ষণকারী) হিসেবে কাজ করবে। গত বছর এ ধরনের কাজে নিয়োজিত ছিল প্রায় এক হাজার মানুষ।

রিভিউয়ার হিসেবে কাজ করা ছাড়াও নতুন নিয়োগকৃতরা স্পাম শনাক্তকরণ, মেশিন লার্নিং এবং ভিডিও হ্যাশিং-এর মতো সিস্টেমগুলো নিয়েও কাজ করবে।

বর্তমানে বিদ্যমান প্রক্রিয়া অনুযায়ী সন্দেহমূলক কন্টেন্টকে শুরুতে ফ্ল্যাগড করা হয়। এরপর এটি কমিউনিটি গাইডলাইন ভঙ্গ করেছে কিনা তা দেখা হয়। এরপর ভিডিও মুছে ফেলা হবে কিনা সে ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এমন তো বাবা আজমের সময় থেকেই চলছে। প্রত্যেকটা মেয়ের উপর কেউ না কেউ হাত দেওয়ার চেষ্টা করে। সরকারের লোকও এমন করে। তোমরা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির লোকের পিছনে পড়ো কেন? ওরা তো অন্তত খাবার জোটানোর পয়সা দেয়। ধর্ষণ করে ফেলে তো দেয় না”- কাস্টিং কাউচ প্রসঙ্গে এমনই বেফাঁস মন্তব্য করে ফেললেন বর্ষীয়ান কোরিওগ্রাফার সরোজ খান।

সিনেমায় কাজ পেতে মহিলাদের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের শয্যাসঙ্গিনী হতে হয়। এমন ঘটনা নতুন কিছু নয়। প্রায়ই কাস্টিং কাউচের বিরুদ্ধে মুখ খোলেন অভিনেত্রীরা। কিন্তু এভাবে সংবাদমাধ্যমের সামনে কাস্টিং কাউচের সমালোচনা না করে উলটে প্রায় স্বপক্ষে মন্তব্য করার ঘটনা নজিরবিহীন।

মঙ্গলবার একটি সাংবাদিক বৈঠকে মিডিয়াকে আক্রমণ করে সরোজ বলেন, “তুমি কী করতে চাইছো তা তোমার উপরই নির্ভর করছে। তুমি যদি কারও হাতে ব্যবহার হতে না চাও তাহলে তার কাছে যেয়ো না। তোমার কাছে শিল্প আছে, তাই তুমি কেন নিজেকে বিক্রি করবে? সিনেমা জগতের বিরুদ্ধে কিছু বোলো না। বলিউড আমাদের মা-বাবার মতো।” তাঁর বক্তব্য, কোনও শিল্পীকে কেউ কোনও প্রস্তাব দিলে সে তা গ্রহণ করবে কি না তা ঠিক করার সিদ্ধান্ত শিল্পীর নিজের।

আরও খবর : রাজপাল যাদব ছ’‌মাসের জন্য জেলে যাবেন

‘চাঁদনি’, ‘তেজাব’, ‘মোহরা’, ‘বাজিগর’, ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে’, ‘হাম দিল দে চুকে সনম’, ‘তাল’ থেকে ‘দেবদাস’- এমন বহু হিট ছবিতে সরোজের নির্দেশনায় নেচেছেন শ্রীদেবী, মাধুরী দীক্ষিত, কাজল, ঐশ্বর্য রাই বচ্চনরা। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে বলিউডে কোরিওগ্রাফি করছেন ৬৯ বছরের এই নৃত্যশিল্পী।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বলিউডে কাস্টিং কাউচ নিয়ে সরব হন কঙ্গনা রানাউত, রাধিকা আপ্টে, কাল্কি কোয়েচলিনরা। চলতি মাসেই কাস্টিং কাউচের শিকার হয়ে প্রযোজকদের বিরুদ্ধে অর্ধনগ্ন হয়ে প্রতিবাদ জানান তেলুগু অভিনেত্রী শ্রী রেড্ডি। ঠিক এই সময়ই সরোজ খানের কাস্টিং কাউচ নিয়ে এহেন মন্তব্যে শোরগোল পড়ে যায়। পরে অবশ্য নিজের বক্তব্যের জন্য ক্ষমা চেয়ে নেন বর্ষীয়ান শিল্পী। তবে সোশ্যাল মিডিয়ার রোষের শিকার হন তিনি।