অলৌকিক সত্যি ঘটনা বাংলাদেশে। কবরস্থানে এক অলৌকিক পাখি মা বাঁচাও,বাবা বাঁচাও আল্লাহ বাঁচাও বলে চিৎকার করছে।দেখুন ভিডিওতে

অলৌকিক সত্যি ঘটনা বাংলাদেশে। কবরস্থানে এক অলৌকিক পাখি মা বাঁচাও,বাবা বাঁচাও আল্লাহ বাঁচাও বলে চিৎকার করছে।

প্রতিদিন ঘটে যাওয়া নানা রকম ঘটনা আপনাদের মাঝে তুলে ধরা এবং সামাজিক সচেতনতা আমাদের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য ।ভিডিওটির উপর কারও আপত্তি থাকলে তা অপসারন করা হবে।

ভিডিওতে দেখুনঃ আমাদের চোখের আরালে ঘটে যাওয়া এমনই কিছু ঘটনা রয়ে যায় যা কিনা ক্যামেরায় ধরা না পড়লে বিশ্বাসই করতাম না। মিডিয়া হলো সমাজের দর্পন। প্রতিনিয়ত আমাদের সমাজে যা ঘটে চলে তাই পর্দায় তুলে ধরা হলো মিডিয়ার কাজ।

পর্দার আড়ালেও আমাদের সমাজে ঘটে অনেকঘটনা যা আমাদের চোক্ষগোচর হয় না। সমাজের অনেক কালো অধ্যায় যা লোকচক্ষুর অন্তরালেই থেকে যায়। যা মিডিয়া আমাদের সামনে তুলে আনে।

দেখুন তার পর মন্তব্য করুন পরবর্তী আপডেট পেতে পেইজ এ লাইক, কমেন্ট এবং শেয়ার করে আমাদের সাথেই থাকবেন।আপনি যদি লাইক, কমেন্ট বা শেয়ার না করেন তাহলে ফেইসবুকের নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী পোষ্টগুলো আপনার কাছে পৌঁছাবে না। তাই আমাদের পোস্ট গুলো আপনার ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক, কমেন্ট বা শেয়ার করুন। ধন্যবাদ

ভিডিওটি দেখুন নিচে………

ভিডিওটি পোষ্টের নিচে দেয়া আছে। ভিডিওটি দেখতে স্ক্রল করে পোষ্টের নিচে চলে যান।

আরো পড়ুন

আমাকে প্রতিবার ব্যবহার করার আগে নামাজ পড়াতো: নাদিয়া

আমাকে প্রতিবার ব্যবহার – ইরাকের এই অংশে ইয়াজিদি সম্প্রদায়ের প্রচুর মানুষ থাকতেন। জঙ্গিরা এসেই গ্রামের পর গ্রাম উজাড় করে দেয়। খুন, শারীরিক নির্যাতন, লুটপাট তো চলেই, সেই সঙ্গে ইয়াজিদি মহিলা, তরুণী, কিশোরীদের তুলে নিয়ে যেতে শুরু করে চলে সহবাস কর্মী বানানোর জন্য। মুরাদ জানান, তার এই বই প্রকাশ করার একমাত্র লক্ষ্য, গোটা বিশ্ব জানুক, কীভাবে ইয়াজিদি নারীদের উপর অত্যাচার চালায় আইএস।

উত্তর ইরাকের ছোট্ট গ্রাম কোচো-তে পরিবারের সঙ্গেই থাকতেন মুরাদ। তিনি তখন পড়াশোনা করছেন। গ্রামের প্রতিটি পরিবারই খুব গরিব। কিন্তু দারিদ্র কখনও সেই গ্রামের খুশি ছিনিয়ে নিতে পারেনি। সব ঠিকঠাকই চলছিল। ২০১৪ গ্রামে জঙ্গিরা এল। বয়স্ক, শিশুসহ সকলকে গ্রামেরই একটা স্কুলে ঢুকিয়ে দিল তারা। নারীদের থেকে পুরুষদের আলাদা করে দেওয়া হল। তাদের রাখা হল স্কুলের বাইরে। তারপর কিছুক্ষণের মধ্যেই ঝাঁকে ঝাঁকে গুলির আওয়াজ, আর সেই শব্দকে ছাপিয়ে মানুষের আর্তনাদ। সে দিন মুরাদের ছয় ভাইকেও গুলি করে মেরেছিল জঙ্গিরা।

এরপর মুরাদ ও গ্রামের অন্য নারীদের একটা বাসে করে নিয়ে যাওয়া হয় মসুলে। বাসে যেতে যেতেই চলে শারীরিক নির্যাতন। মসুলে নিয়ে গিয়ে অল্পবসয়ী মেয়েদের সহবাস কর্মী হিসাবে বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়। মুরাদের দাবি, একজন তার পেটে সিগারেটের ছ্যাঁকা দেয়। সেই ব্যক্তিই তাকে কিনে নেয়। অনেক ইয়াজিদি নারী সম্ভ্রম বাঁচাতে আত্মহত্যা করেন।

মুরাদ বলেন, নরক থেকে পালানোর চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু ধরা পড়েছিলাম। ধরা পড়তেই চলে যৌথ নির্যতন। ভেঙে পড়িনি। আমার মতোই হাজারো নারী জঙ্গিদের কব্জায় ছিল, এটাই আমাকে সাহস জুগিয়েছিল। নিজেকে সান্ত্বনা দিয়ে বলতে থাকলাম এক দিন মুক্ত হবই! সেই সুযোগও এসে গেল একদিন। এক জঙ্গি দরজা না আটকেই বেরিয়ে গিয়েছিল। জঙ্গি চলে যেতেই সোজা দৌড়। আর পিছনে ফিরে তাকাননি। ধরা পড়লেই মৃত্যু নিশ্চিত জেনেও সাহসে ভর করে বেরিয়ে পড়েছিলাম। অন্ধকার রাস্তা ধরে বহুক্ষণ হাঁটতে হাঁটতে ক্লান্ত হয়ে একটা বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় চান। সেই পরিবারই তাকে মসুল থেকে পালিয়ে যেতে সাহায্য করেছিল। পরে ২০১৫ জার্মানির শরণার্থী ক্যাম্পে আশ্রয় নেন তিনি।

মুরাদ বলেন, মসুলে ২০ লাখ মানুষের বাস। দু’হাজার মেয়েকে আটকে রেখেছিল জঙ্গিরা। মসুলের বাসিন্দারা কেউ এগিয়ে আসেনি তাদের উদ্ধারে। যারা এগিয়ে এসেছিলেন তারা হাজার হাজার ডলার দাবি করছিলেন। বন্দি থাকাকালীন ইউরোপ, সৌদি আরব, তিউনিশিয়া থেকে একের পর এক ধর্ষেণের লক্ষ্য নিয়ে মুসলমান জঙ্গিরা আসত, আর নিত্যদিন শারীরিক নির্যাতন করত তাকে। শারীরিক নির্যাতনের আগে অযু করিয়ে নামাজ পড়িয়ে নেওয়া হত।

তার মতো অনেক ইয়াজিদি নারী এখনও আইএস জঙ্গিদের কবলে। মুরাদ বলেন, জানি কী দুর্বিষহ দিন কাটাচ্ছেন তারা। নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই আজ সেই সব মেয়েদের কাহিনী তুলে ধরছি। মুরাদ মেকআপ আর্টিস্ট হতে চান। আবার নতুন করে জীবন শুরু করতে চান তিনি