মাছ ধরার কি অভিবন পদ্ধতি, দেখলে চমকে যাবেন (ভিডিও)

প্রতিদিন ঘটে যাওয়া নানা রকম ঘটনা আপনাদের মাঝে তুলে ধরা এবং সামাজিক সচেতনতা আমাদের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য ।ভিডিওটির উপর কারও আপত্তি থাকলে তা অপসারন করা হবে।

ভিডিওতে দেখুনঃ আমাদের চোখের আরালে ঘটে যাওয়া এমনই কিছু ঘটনা রয়ে যায় যা কিনা ক্যামেরায় ধরা না পড়লে বিশ্বাসই করতাম না। মিডিয়া হলো সমাজের দর্পন। প্রতিনিয়ত আমাদের সমাজে যা ঘটে চলে তাই পর্দায় তুলে ধরা হলো মিডিয়ার কাজ।

অবশেষে সোনমের বিয়েতে না যাওয়ার কারণ জানালেন দীপিকা: দিল্লির ব্যবসায়ী আনন্দের সঙ্গে সোনমের পরিচয় এক বন্ধুর মাধ্যমে। আনুষ্ঠানিকভাবে সোনম আর আহুজা বিয়েও সেরে ফেলেছেন। গত ৮মে গাঁটছ়ড়া বেঁধেছেন বলি অভিনেত্রী সোনম কপূর।

কেন সোনমের বিয়েতে হাজির ছিলেন না দীপিকা? দুই নায়িকার মধ্যে কি কোনও লড়াই রয়েছে? সে কারণেই কি সোনমের বিয়ে এড়িয়ে গিয়েছেন দীপিকা? এ সব নিয়ে বহু চর্চা হয়েছে বলি পাড়ায়। এ বার প্রকাশ্যেই সে সবের উত্তর দিয়েছেন দীপিকা।-খবর আনন্দবাজারপত্রিকার।

সম্প্রতি মুম্বইয়ের একটি অ্যাওয়ার্ড শোতে গিয়েছিলেন দীপিকা। সেখানে সোনমের বাবা অনিল কপূরের সঙ্গে তার দেখা হয়। অনিলের সঙ্গে দীপিকার কথোপকথনের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

ওই ভিডিওতে নাকি অনিল কপূরের কাছে সোনমের বিয়েতে উপস্থিত না থাকার জন্য ক্ষমা চাইতে দেখা গিয়েছে দীপিকাকে।

অনিল বলেন, আমি তোমাকে মিস করেছি। এর উত্তরে দীপিকা বলেছেন, আমি জানি। দুঃখিত। ওই সময়টা আমি কান উৎসবে ছিলাম।
আমাকে প্রতিবার ব্যবহার করার আগে নামাজ পড়াতো: নাদিয়া

আমাকে প্রতিবার ব্যবহার – ইরাকের এই অংশে ইয়াজিদি সম্প্রদায়ের প্রচুর মানুষ থাকতেন। জঙ্গিরা এসেই গ্রামের পর গ্রাম উজাড় করে দেয়। খুন, শারীরিক নির্যাতন, লুটপাট তো চলেই, সেই সঙ্গে ইয়াজিদি মহিলা, তরুণী, কিশোরীদের তুলে নিয়ে যেতে শুরু করে চলে সহবাস কর্মী বানানোর জন্য। মুরাদ জানান, তার এই বই প্রকাশ করার একমাত্র লক্ষ্য, গোটা বিশ্ব জানুক, কীভাবে ইয়াজিদি নারীদের উপর অত্যাচার চালায় আইএস।

উত্তর ইরাকের ছোট্ট গ্রাম কোচো-তে পরিবারের সঙ্গেই থাকতেন মুরাদ। তিনি তখন পড়াশোনা করছেন। গ্রামের প্রতিটি পরিবারই খুব গরিব। কিন্তু দারিদ্র কখনও সেই গ্রামের খুশি ছিনিয়ে নিতে পারেনি। সব ঠিকঠাকই চলছিল। ২০১৪ গ্রামে জঙ্গিরা এল। বয়স্ক, শিশুসহ সকলকে গ্রামেরই একটা স্কুলে ঢুকিয়ে দিল তারা। নারীদের থেকে পুরুষদের আলাদা করে দেওয়া হল। তাদের রাখা হল স্কুলের বাইরে। তারপর কিছুক্ষণের মধ্যেই ঝাঁকে ঝাঁকে গুলির আওয়াজ, আর সেই শব্দকে ছাপিয়ে মানুষের আর্তনাদ। সে দিন মুরাদের ছয় ভাইকেও গুলি করে মেরেছিল জঙ্গিরা।

এরপর মুরাদ ও গ্রামের অন্য নারীদের একটা বাসে করে নিয়ে যাওয়া হয় মসুলে। বাসে যেতে যেতেই চলে শারীরিক নির্যাতন। মসুলে নিয়ে গিয়ে অল্পবসয়ী মেয়েদের সহবাস কর্মী হিসাবে বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়। মুরাদের দাবি, একজন তার পেটে সিগারেটের ছ্যাঁকা দেয়। সেই ব্যক্তিই তাকে কিনে নেয়। অনেক ইয়াজিদি নারী সম্ভ্রম বাঁচাতে আত্মহত্যা করেন।