জানুন মেয়েদের দ্রুত অর্গাজম করার কিছু সে*ক্স পজিশন

সেক্স কখনও বিরক্তিকর হতে পারে না। সহজে উত্তেজিত হওয়া এবং একটি পজিশনেই চরম উত্তেজনায় পৌছানো খুবই সহজ। তবুও, অল্প সময়ের জন্য এই উত্তেজনার অবসান ঘটে এবং আপনি মনে করেন যে বিছানায় আপানকে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে।

 

ভিন্নতা হচ্ছে জীবনের মাসালা। মিশনারি পজিশন অসাধারন কিন্তু সম্ভবত আপনি আবারও উত্তেজিত হতে আরও একটি পজিশন যোগ করার প্রয়োজন। আপনি একবার একটি অবস্থানের চেষ্টা করুন এবং প্রথমেই আপনি এটির সাফল্য পাবেন না। তাই বারার চেষ্টা করতে থাকুন।কথায় আছে না? অনুশীলন সাফল্যর চাবিকাটি। নিন্মে কিছু পজিশন দেওয়া হলো যা নারীদের খুব পছন্দ হবে।

 

কিছু পরামর্শ হলো সহবাস করার জন্য লিঙ্গ ৪৫ ডিগ্রী অবস্থানই সেক্স করার সবথেকে ভালো পজিশন। আপনি কি সর্বাক্তক আসনে সঙ্গীকে তৃপ্তি দিতে চান? তাহলে নিচের যে সহবাস করার ছবি গুলো দেওয়া হচ্ছে সেগুলো অনুসরণ করুন।

 

১/ সংশোধিত ডগি স্টাইল

এই আসনটি মেয়েদের জন্যে খুবই উপযুক্ত কারন এতে মেয়েটি তার ইচ্ছামত সেক্সের সময় মুভমেন্ট করতে পারে, পেনিস কে তার যোনির ভিতর ইচ্ছামত নাড়াচাড়া করিয়ে নিতে পারে। যৌনক্রিয়ার বেগও নিজের ইচ্ছামত নিয়ন্ত্রন করতে পারে। এর সাথে সাথে পুরুষের সুবিধা হচ্ছে সে ইচ্ছামত খুব সহজে নারীর ””জি স্পট”’ এ স্পর্শ করতে পারে এবং হাত দিয়ে নারীর ক্লাইটরিস বা ভগ্নাংকুরে ঘর্ষণ করে নারীকে ইচ্ছামত মজা দিতে পারে। নারী নিজেও নিজের ভগ্নাংকুরে ইচ্ছামত হাত দিয়ে ঘর্ষণ করতে পারে । এতে নারীর খুব দ্রুত অরগাজম হতে পারে। পেনিট্রেশন সবচেয়ে বেশি। তাই গর্ভধারণের সম্ভাবনাও সবচেয়ে বেশি।

 

২/ স্পুনিং

পাশ ফিরে সঙ্গিনীকে জড়িয়ে থেকে পিছন দিক থেকে পেনিট্রেশন। মেয়েদের পেলভিস অনেকটা ৯০ ডিগ্রি কোণে বেঁকে থাকে। এতেও সার্ভিক্সের গভীরে সহজেই পৌঁছয় বীর্য।

 

৩/ ডগি স্টাইল

ডগি স্টাইল  সহবাস বলতে এটাকেই বোঝায় যে পুরুষটি পেছন দিক থেকে নারীর দেশে পুরুষাঙ্গ প্রবেশ করাবেন। পেনিট্রেশন সবচেয়ে বেশি। তাই গর্ভধারণের সম্ভাবনাও সবচেয়ে বেশি।

 

 

৪/ মিশনারি

সবচেয়ে বহুল প্রচলিত সেক্স পজিশন যেখানে মেয়েরা থাকে নীচে ও ছেলেরা উপরে।

এই পজিশনে পেলভিস তলার দিকে ঝুঁকে থাকে না। ফলে পেনিট্রেশন খুব গভীরে হয় এবং বীর্য খুব সহজেই সার্ভিক্সের কাছাকাছি পৌঁছয়। গর্ভধারণের সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

 

৫/ নারী উপরে

এই পজিশন নারীকে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ দেয়।

 

৬/ রিভার্স কাউগার্ল

শায়িত পুরুষসঙ্গীর পায়ের দিকে মুখ করে বসে মিলনেকে রিভার্স কাউগার্ল বলে। প্রথমত, এই পজিশন ধরে রাখতে শারীরিক পরিশ্রম হয়। দ্বিতীয়ত, সুনির্দিষ্ট ছন্দে বেশিক্ষণ এই পজিশন ধরে রাখতে প্রচুর এনার্জি খরচ হয়।

 

৭/ পা উপরে

এই মিশনারি পজিশনেই মত কিন্তু পা উপরে  দিয়ে

 

৮/ কাউগার্ল

এই পজিশন খুব একটা অর্গ্যাজম-ফ্রেন্ডলি নয়। এতে সুখের চেয়ে পরিশ্রম বেশি হয় বলে মনে করেন অনেক নারী। সবচেয়ে বড় কথা, এই পজিশন কিন্তু পুরুষদের পক্ষেও বিপজ্জনক। কারণ, এই পজিশনেই সবচেয়ে বেশি পুরুষাঙ্গ ভাঙার নজির রয়েছে।

 

 

৯/ মুখোমুখি

 

১০/ স্ট্যান্ডিং আপ

দুই বাহুর জোরে একজন নারীকে তুলে ধরে মিলনের ভঙ্গিমাকে বলে স্ট্যান্ডিং আপ পজিশন। কোমরের জোরের উপর একজন নারীকে সম্পূর্ণভাবে তুলে ধরা ও ধরে রাখাটা পরিশ্রমসাধ্য। পর্দায় দেখতে আকর্ষণীয় লাগলেও বাস্তবে এভাবে ঘনিষ্ঠ হওয়াটা কিন্তু মুখের কথা নয়।

 

১১/ রক অ্যান্ড রোলার

মেয়েটি থাকে নীচে। কিন্তু পা দু’টি থাকে তার মাথার উপরে। অনেক গভীরে, জি-স্পটে সহজেই হিট করতে পারে পুরুষাঙ্গ।