বিশ্বের মাথা নষ্ট করা সেনাবাহিনী, দেখলেই বুঝবেন (ভিডিও)

বিশ্বের মাথা নষ্ট করা সেনাবাহিনী, দেখলেই বুঝবেন (ভিডিও)বিশ্বের মাথা নষ্ট করা সেনাবাহিনী, দেখলেই বুঝবেন (ভিডিও)বিশ্বের মাথা নষ্ট করা সেনাবাহিনী, দেখলেই বুঝবেন (ভিডিও)বিশ্বের মাথা নষ্ট করা সেনাবাহিনী, দেখলেই বুঝবেন (ভিডিও)বিশ্বের মাথা নষ্ট করা সেনাবাহিনী, দেখলেই বুঝবেন (ভিডিও)বিশ্বের মাথা নষ্ট করা সেনাবাহিনী, দেখলেই বুঝবেন (ভিডিও)বিশ্বের মাথা নষ্ট করা সেনাবাহিনী, দেখলেই বুঝবেন (ভিডিও)বিশ্বের মাথা নষ্ট করা সেনাবাহিনী, দেখলেই বুঝবেন (ভিডিও)বিশ্বের মাথা নষ্ট করা সেনাবাহিনী, দেখলেই বুঝবেন (ভিডিও)বিশ্বের মাথা নষ্ট করা সেনাবাহিনী, দেখলেই বুঝবেন (ভিডিও)বিশ্বের মাথা নষ্ট করা সেনাবাহিনী, দেখলেই বুঝবেন (ভিডিও)বিশ্বের মাথা নষ্ট করা সেনাবাহিনী, দেখলেই বুঝবেন (ভিডিও)বিশ্বের মাথা নষ্ট করা সেনাবাহিনী, দেখলেই বুঝবেন (ভিডিও)বিশ্বের মাথা নষ্ট করা সেনাবাহিনী, দেখলেই বুঝবেন (ভিডিও)

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে শ্রীমতি সবিতা রানী ধর্মান্তরিত হয়ে সবিতা বেগম নাম রেখেও ঠাঁই পাইনি স্বামী শহীদুলের বাড়িতে। সবিতার বাড়ি পাবনার আঠঘড়িয়া উপজেলার নাদুরিয়া গ্রামে। তার বাবার নাম শ্রী রাম দাস। আর শহীদুল ইসলাম ঈশ্বরগঞ্জের উচালিখা ইউনিয়নের আমোদপুর গ্রামের হেকমত আলীর ছেলে।

প্রেমের টানে স্বামী সংসার ছেড়ে ধর্মান্তরিত হয়ে নতুন বিয়ে করেছিলেন সবিতা। কিন্তু প্রতারক স্বামী গোপনে নিজ এলাকায় আরও একটি বিয়ে করে, এখন আর আশ্রয় দিচ্ছে না সবিতাকে। আর ধর্মান্তরিত হওয়ায় সবিতা তার স্বজনদের কাছে ফিরতেও পারছে না। উপায় না পেয়ে গত দুমাস ধরে স্বামীর বাড়িতে ঠাঁই পেতে লড়াই করে যাচ্ছেন সবিতা।

জানা গেছে, গাজীপুরে একই পোশাক কারখানায় কাজ করার সুবাদে সবিতার সঙ্গে শহীদুলের পরিচয় হয়। এক পর্যায়ে তাদের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। শহীদুল বিয়ের আশ্বাস দিলে ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে ময়মনসিংহ আদালতে এফিডেবিট করে ধর্মান্তরিত হয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে সবিতা। এরপর ওই বছরের জুন মাসে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়। সেই থেকে একসঙ্গে বসবাস করতে শুরু করে তারা। সংসার জীবনও তাদের ভালোই কাটছিলো।

হঠাৎ করেই নিজ এলাকায় সবিতার সঙ্গে বিয়ের কথা গোপন করে আরও একটি বিয়ে করে শহীদুল। যার ফলে সবিতার সঙ্গে সব যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় শহীদুল। স্বামীর খোঁজখবর না পাওয়ায় গত মার্চ মাসে স্বামীর বাড়িতে আসে সবিতা। সবিতা স্বামীর বাড়িতে আসায় ওই এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ওই অবস্থায় শহীদুল বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়। এরপর সবিতাকেও বাড়ি থেকে বের করে দেয় স্বামীর স্বজনরা। এমনকি বিয়ের প্রমাণপত্রও নিয়ে আসতে বলা হয় তাকে।

কিন্তু যথাযথ প্রমাণপত্র নিয়ে আসার পরেও স্বামীর বাড়িতে ঠাঁই মেলেনি সবিতার। উল্টো মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়া হয়েছে। ওই অবস্থায় স্বামীর বাড়ির পাশের একটি বাড়িতে গত দুই মাস ধরে আশ্রয়ে আছেন সবিতা।

সবিতা বেগম বিডি২৪লাইভকে বলেন, ‘বিয়ে করলেও প্রতারক স্বামীর কাছে ঠাঁই হচ্ছে না। ধর্মান্তরিত হয়ে পরিবার স্বজন সব হারিয়েছেন। নিজের অধিকার পেতে ১৩ মে ময়মনসিংহ আদালতে একটি মামলাও করেছেন।’

শহীদুল ইসলামের বাবা হেকমত আলী বলেন, ‘তার ছেলে বাড়ি না থাকায় সবিতাকে তারা ঘরে তুলতে পারছেন না। ছেলে বাড়িতে এলে তখন বিষয়টি দেখবেন।’

উচালিখা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শফিকুল ইসলাম বিডি২৪লাইভকে বলেন, ‘শহীদুল প্রেমের ফাঁদে ফেলে মেয়েটিকে ধর্মান্তরিত করে বিয়ে করে। কিন্তু তা গোপন রেখে ফের এলাকায় বিয়ে করে। এখন মেয়েটিকে বাড়িতে জায়গা দিচ্ছে না। পাশের এক বাড়িতে আশ্রয়ে রয়েছে।’

ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বদরুল আলম খান বলেন, ‘মেয়েটির পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’