হঠাৎ করেই এদের যে ভিডিওটি ভাইরাল হল।- ভিডিওটি দেখুন

ই পোস্ট করার আগ পর্যন্ত এই ভিডিওটি দেখা হয়েছে ১ কোটি ৬৩ লক্ষ ৩২ হাজার ৭৩৩ বার। ভিডিওটি যে সম্প্রতি সময়ের তৈরি তা কিন্তু নয়।

বেশ কিছু সময় আগেই তৈরি করা হয়েছিল এই ভিডিওটি । তবে হঠাৎ করে কেনই বা ভাইরাল হবে। অনেকেই মনে করছেন আকর্ষণীয় লুকের কারনে ভাইরাল হয়েছে।

ভিডিওতে দেখুন বিস্তারিত। ভিডিওটি দেখতে নিচে ক্লিক করুন।

ভিডিওটি পোষ্টের নিচে দেয়া আছে। ভিডিওটি দেখতে স্ক্রল করে পোষ্টের নিচে চলে যান।

আরো পড়ুনঃ

স্ত্রীর মোবাইলে সৌদি থেকে সুন্দরী মেয়েদের ছবি পাঠাতেন স্বামী, পরিণতি ভয়ানক!
রীনার মামা মুহাম্মদ রজনু মিয়া জানান, বিয়ের পর বিদেশ গিয়ে আব্দুল আজিজের পরিবর্তন হয়। রীনাকে তালাক দেবে বলে প্রায়ই হুমকি দিতো। মোবাইলে মেয়েদের ছবি পাঠিয়ে বলতো এদের বিয়ে করবে। বলতো, ছেলে-মেয়ে নিয়ে বাবার বাড়ি চলে যাও।

শ্বশুরবাড়ির লোকজনও রীনাকে মারধর করতো। ছেলেকে আবার ভালো জায়গায় বিয়ে করাবে বলে রীনাকে বাবার বাড়ি চলে যেতো বলতো। মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন সইতে না পেরে দুই সন্তানকে বিষ খাইয়ে আত্মহত্যা করেছে রীনা। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রীনার শ্বশুর আবুবকর সিদ্দিক। তিনি বলেন, ছেলের সঙ্গে বউয়ের কি হয়েছে তা আমি জানি না। আমি বাড়ির বাইরে আছি।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ওই গ্রামের আবুবকর সিদ্দিকের ছেলে আব্দুল আজিজের সঙ্গে একই উপজেলার ভাকুম গ্রামের বাচ্চু মিয়ার মেয়ে রীনার বিয়ে হয় প্রায় ৮ বছর আগে। তাদের ঘরে দুই সন্তান রয়েছে। প্রায় ১২ বছর ধরে আব্দুল আজিজ সৌদিআরবে থাকেন। নানা কারণে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায় কলহ লেগেই থাকতো। আজিজের মা-বাবাও রীনাকে মানসিকভাবে নির্যাতন করতেন।

দাম্পত্য কলহের জের ধরে শুক্রবার সন্ধ্যায় দুই শিশুর মুখে বিষ দেন মা রীনা। পরে তিনি নিজেও বিষপান করেন। বিষয়টি টের পেলে শ্বশুরবাড়ির লোকজন ও প্রতিবেশীরা দুই সন্তানসহ রীনাকে সিংগাইর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। পরে চিকিৎসকরা রীনা আক্তারকে মৃত ঘোষণা করেন। সেইসঙ্গে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই দুই শিশুকে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ভর্তি করেন।