যারা বিয়ে করেননি তারা ভিডিওটি দেখবেন না প্লিজ! দেখুন ৪০ বছরের আন্টির….

যারা বিয়ে করেননি তারা ভিডিওটি দেখবেন না প্লিজ! দেখুন ৪০ বছরের আন্টির….

বি: দ্র : ই্উটিউব থেকে প্রকাশিত সকল ভিডিওর দায় সম্পুর্ন ই্উটিউব চ্যানেল এর ।

এর সাথে আমরা কোন ভাবে সংশ্লিষ্ট নয় এবং আমাদের পেইজ কোন প্রকার দায় নিবেনা।
ভিডিওটির উপর কারও আপত্তি থাকলে তা অপসারন করা হবে। প্রতিদিন ঘটে যাওয়া নানা রকম ঘটনা আপনাদের মাঝে তুলে ধরা এবং সামাজিক সচেতনতা আমাদের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য ।

আরো পড়ুন

নাবালক বালক দিয়ে যৌন চাহিদা মিটাতে গিয়ে হাতে নাতে ধরা খেলগৃহবধু

নাবালক বালক দিয়ে- প্রতিবেশী নাবালককে ইলোপ করে দিনের পর দিন যৌন শোষণের অভিযোগ। গ্রেফতার বেঙ্গালুরুর কোলার স্বর্ণখনি এলাকার যুবতী গৃহবধূ। মেডিক্যাল পরীক্ষায় মিলেছে যৌন সংসর্গের প্রমাণ। দাবি পুলিসের।কলম্বিয়ার পর বেঙ্গালুরু। বিবাহিত শিক্ষিকার পর এবার গৃহবধূ।

নাবালককে ইলোপ করে দিনের পর দিন ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার যুবতী। মাত্র ২৪-এর গৃহবধূ। ১৭-র নাবালককে ইলোপ করার অভিযোগই শুধু নয়, দিনের পর দিন বাড়িতে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ পর্যন্ত উঠেছে। দুজনের মেডিক্যাল পরীক্ষায় যৌন সংসর্গের প্রমাণ মিলেছে বলে দাবি পুলিসের।

বেঙ্গালুরু থেকে প্রায় ৯৫ কিলোমিটার দূরে কোলার স্বর্ণখনি এলাকা। এখানকারই বাসিন্দা ওই যুবতী এবং নাবালক। একই এলাকার বাসিন্দা হওয়ায় দুজনেই দুজনকে চেনে দীর্ঘদিন। এর মধ্যেই এক জল ব্যবসায়ীর সঙ্গে বিয়ে হয় ওই যুবতীর।

ততদিনে স্কুলছুট ওই নাবালক। গত ২৪ অক্টোবর থেকে হঠাত্‍ই উধাও হয়ে যান দুজন। সেদিনই স্থানীয় রবার্টসোনপেত থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন যুবতীর স্বামী। পরদিন সকালে ওই নাবালকের বাবাও ওই থানায় ছেলের নিখোঁজ ডায়েরি করেন।

তদন্তে নেমে পুলিসের হাতে উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। কোলার স্বর্ণখনি বাসস্ট্যান্ডের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ২৪ অক্টোবর সন্ধেয় অন্ধ্রপ্রদেশ যাওয়ার বাসে উঠছে ওই যুবতী ও নাবালক।

ওই যুবতীর মোবাইল ফোন ট্র্যাক করতে শুরু করে পুলিস। প্রতি ২দিন অন্তর জায়গা বদলাতে থাকে তারা। বিশাখাপত্তনম, বিজয়ওয়াড়া, নেল্লোর, মহাবলীপুরমের বিভিন্ন লজে থাকার প্রমাণ আসতে থাকে পুলিসের হাতে। অবশেষে ১৩ নভেম্বর তামিলনাড়ুর ভেলানকান্নির একটি হোটেল থেকে ওই নাবালককে উদ্ধার করে পুলিস।

গ্রেফতার হয় যুবতী গৃহবধূ। এর আগে কলম্বিয়ার মেডেলিনে দিনের পর দিন ছাত্রদের সঙ্গে যৌন সংসর্গের অভিযোগে গ্রেফতার হয় শিক্ষিকা ইয়োকাস্তা এম। ফেল করিয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ১৬-১৭ বছরের ছাত্রদের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক তৈরি করার অভিযোগ।

এমনই এক ছাত্রের মোবাইলে ইয়োকাস্তার আপত্তিকর ছবি দেখে ফেলেন তার বাবা। পুলিসে অভিযোগ দায়ের করেন। গ্রেফতার হন শিক্ষিকা। ৪০ বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁর স্বামী