Breaking News
Home / International / বাংলাদেশের এই সুন্দরী ২৪ ঘন্টায় ৮৭ জনের সাথে যৌন সম্পর্ক করে বিশ্বরেকর্ড।দেখুন সেই ভিডিও…

বাংলাদেশের এই সুন্দরী ২৪ ঘন্টায় ৮৭ জনের সাথে যৌন সম্পর্ক করে বিশ্বরেকর্ড।দেখুন সেই ভিডিও…

বাংলাদেশের এই সুন্দরী ২৪ ঘন্টায় ৮৭ জনের সাথে যৌন সম্পর্ক করে বিশ্বরেকর্ড।দেখুন সেই ভিডিও
বি: দ্র : ই্উটিউব থেকে প্রকাশিত সকল ভিডিওর দায় সম্পুর্ন ই্উটিউব চ্যানেল এর ।

এর সাথে আমরা কোন ভাবে সংশ্লিষ্ট নয় এবং আমাদের পেইজ কোন প্রকার দায় নিবেনা।
ভিডিওটির উপর কারও আপত্তি থাকলে তা অপসারন করা হবে। প্রতিদিন ঘটে যাওয়া নানা রকম ঘটনা আপনাদের মাঝে তুলে ধরা এবং সামাজিক সচেতনতা আমাদের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য ।

ও আমাকে বলে তার সাথে সহবাস না করলে সম্পর্ক রাখবে না, আমি তখন ওকে আমার দেহ
আপু, আমি একটি ছেলের সাথে phone এ কথা বলতাম। বন্ধুত্ব হয়, কিন্তু সে আমাকে ভালোবেসে ফেলে। বিভিন্ন রকমের ভয় দেখিয়ে আমার সাথে relation করে। আমিও তখন অনেক বোকা ছিলাম, ভয়ে রাজি হয়ে যাই। কিন্তু তাকে আমি love করতাম না। সেই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে চাইলে ও আমাকে আত্মহত্যা করার ভয় দেখায়। আমার বাসায় আমাদের দুজনের ব্যক্তিগত ছবি পাঠাবে বলে হুমকি দেয়। আমাদের শারীরিক relation না থাকলেও অনেকটা অন্তরঙ্গতা ছিল যাতে আমার মত ছিল না। তাই আমি চাইলেও বের হতে পারতাম না ঐ সম্পর্ক থেকে। শেষ পর্যন্ত জানতে পারি সে আমাকে তার ব্যাপারে যা যা তথ্য দিয়েছিল, সবই ভুল। তখন থেকেই আমি relation থেকে বেরিয়ে আসি। তাকে কখনই আমি ভালোবাসতে পারিনি।

দ্বিতীয় যার সাথে আমার relation হয়, তাকে আমি প্রচণ্ড ভালোবাসতাম, আপু। যেহেতু আমার প্রথম প্রেম, পাগলামিগুলো বেশিই ছিল। তার সাথে আমার বেশ কিছুবার মেক-আউট হয়েছিল। না করতে চাইলে অশান্তি করত, তাই আমার কিছু করার ছিল না। এক সময় তার চাহিদা বাড়তে থাকে। সে বলে শারীরিক relation না করলে সম্পর্ক রাখবে না। আর আমি এ সময়টায় ওকে ছাড়া কিছুই বুঝতাম না। তাই agree হই। কিন্তু ওটাই প্রথমবার এবং শেষ। ঐ ঘটনায় আমি মারাত্মকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ি। শারীরিক সম্পর্কের প্রতি আমার ভয় জন্মায়। আর নিজের প্রতি ঘৃণা চলে আসে। তাই তারপর সে কিছু করতে বললেও আমি agree হতাম না। আর রাজি না হওয়ার কারণে সে আমার সাথে ব্রেকআপ করে। আমিও আর relation ঠিক করার চেষ্টা করিনি। কারণ যার কাছে এটাই সব সে আর আমাকে কতটুকু ভালোবাসে! এছাড়াও আমাদের বোঝ-পড়া ভালো ছিল না। ১২ মাসের আট-নয় মাস ঝগড়ায় কাটত।

এখন আমার বাসা থেকে আমাকে বিয়ে দিতে চাইছে। আমি অমত করিনি। কারণ বাবা মাকে অনেক কষ্ট দিয়েছি তাই আমি নিজেও সুখী হতে পারিনি। কিন্তু আমি চাই আমার ভবিষ্যৎ স্বামীকে এগুলো সব বলতে। কিন্তু বাসা থেকে মানা করেছে আগে যে relation ছিল সেটাই না জানাতে। এদিকে আমি আমার দ্বিতীয় প্রেমিককে কথা দিয়েছিলাম যে কাউকে শারীরিক সম্পর্কের ব্যাপারে জানাব না। কিন্তু আমার আগের প্রেমিকরা যেমন মানুষ, তারা বিয়ের সময় বিয়ে ভাঙার চেষ্টা করতে পারে বা আমার বিবাহিত জীবনে problem তৈরি করতে পারে। এমন অবস্থায় আমার কী করা উচিত? আর হয়তো আগে শারীরিক relation ছিল শুনলে কেউ বিয়ে করতে চাইবে না।

পরামর্শ: আপনার letter পড়ে আসলে মনের মাঝে একটা অদ্ভুত হতাশা তৈরি হলো, আপু। পৃথিবী এত এগিয়ে গিয়েছে, আর তারপরও আমাদের মেয়েরা মনে করে যে বিয়ে ছাড়া কোন উপায় নেই? বিয়ে এতই জরুরী যে পূর্বের শারীরিক সম্পর্কের কথা জানলে বিয়ে হবে না, তাই আরেকটি মানুষকে মিথ্যা বলে ছলে-বলে-কৌশলে marry করতে হবে? এটা তো প্রতারণা, আপু! তাই না? দাম্পত্য তখন দীর্ঘস্থায়ী ও মধুর হয়, যখন দুটি মানুষ পরস্পর সম্পর্কে সবকিছু জেনে ও বুঝে তবেই বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। অথচ আমাদের সমাজে ব্যাপারটি যেন উল্টো! বিয়ের সময়ে দুই পক্ষই অনেক কিছু চেপে যায় আর ফলাফল গিয়ে এই দাঁড়ায় যে কিছুদিন যেতে না যেতেই দাম্পত্যে বিশাল ফাটল তৈরি হয়ে যায়। এটা আর যাই হোক, relation করার কোন হেলদি উপায় হতে পারে না!

আপনি এখন কী করবেন সেই বিষয়ে বলার আগে আপনার অতীত নিয়ে দুটো কথা বলি। আমার কেন যেন মনে হচ্ছে আপনিও নিজেও কিন্তু ভ্রান্ত ধারণার মাঝে ছিলেন এবং এখনো আছে। এবং এটাও মনে হচ্ছে যে আপনার বয়স খুব বেশি নয়। তাই আমি আপনাকে কিছু কথা বুঝিয়ে বলার চেষ্টা করছি…

প্রথমত, আপনি লিখেছেন যে প্রথম প্রেমিক আপনাকে “ভয় দেখিয়ে” সম্পর্কে রাজি করায়। ভয় দেখিয়ে আবার relation হয় কীভাবে, আপু? আর ফোনে পরিচয় হয় একটা অচেনা ছেলে কী নিয়েই বা আপনাকে ভয় দেখাতে পারে যে আপনি একেবারে প্রেম ও ঘনিষ্ঠ relation করতে রাজি হয়ে গেলেন? আপনি বারবার লিখেছেন যে সম্পর্ক আপনার সায় ছিল না, আপনি ওকে ভালোবাসতেন না। তাহলে ওই ছেলেটির সাথে আপনার শারীরিক ঘনিষ্ঠতা কীভাবে হলো? আপনি যদি তাকে সুযোগ না দিতেন, তার সাথে দেখা করতে না যেতেন, তাহলে তো সে ঘনিষ্ঠতা নিয়ে জোর করার সুযোগ পেতো না। পেত কি? আচ্ছা ঠিক আছে, ধরেই নিলাম যে ছেলেটি জোর করে আপনার সাথে ঘনিষ্ঠতা করেছে, আপনার একদমই সায় ছিল না… কিন্তু আপু, যে ছেলেকে আপনি ভালোবাসেন না, সেই ছেলের সাথে আপনার অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি থাকে কী করে? তাও আবার এমন pic, যেগুলো দিয়ে ব্ল্যাক মেইল করা যায়! আপনি লিখেছেন যে সম্পর্ক ভাঙার কথা বললে ছেলেটি ছবিগুলো বাসায় দিয়ে দেবে বলতো। তাহলে আপনি যখন ফাইনালি সম্পর্ক শেষ করেই দিলেন, তাহলে সে কেন ছবিগুলো দিয়ে দিল না?

হ্যাঁ, যদি ছেলেটি আপনার কাছে নিজের সত্যতা গোপন করে relation করে থাকে, তাহলে সে অতি অবশ্যই অন্যায় করেছে। কিন্তু আপু, আমার কেন যেন মনে হচ্ছে আপনি যেসব লিখেছেন সেটা পুরোপুরি সত্য নয়। সেটা হচ্ছে – “ইউর ভার্সন অফ ট্রুথ” , অর্থাৎ আপনার দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা সত্য। মানুষ মাত্রই নিজের দোষটা বাদ দিয়ে কথা বলতে ভালোবাসে। আমরা কেউই এর ব্যতিক্রম নই। কিন্তু আপনি যদি চান যে আপনার জীবনের সমস্যাগুলোর সমাধান হোক, সেক্ষেত্রে একটু খোলা মনে সত্যিকারের বাস্তব অবস্থাটা দেখতে হয়। নাহলে কখনোই সমস্যার solve হবে না।

দ্বিতীয় প্রেমিকের ব্যাপারে বলার কিছুই নেই। আপনি নিজেই জানেন যে ভুল করেছেন এবং এক পর্যায়ে নিজের বুঝতে পেরেছেন যে সম্পর্কটি শেষ করে দেয়াই আপনার জন্য ভালো। মা-বাবার পছন্দে এখন বিয়ে করতে চাইছেন, সেটাতেও আমি কোন সমস্যা দেখি না। কিন্তু আপু, যদি পরিবারের কথা অনুযায়ী নিজের ব্যাপারে সত্য গোপন করে বা আধা সত্য-আধা মিথ্যা বলে marry করেন, তাহলে কিন্তু পরিবারের কিছু হবে না। যা হবার, আপনার নিজের সাথেই হবে। যা পস্তানোর, আপনার নিজেকেই পস্তাতে হবে। আপনার কি কোন অধিকার আছে বলুন আরেকটি মানুষকে ধোঁকা দেয়ার বা তার সাথে প্রতারণা করার? নেই। একদম নেই! যে মানুষটি আপনি ও আপনার পরিবারকে বিশ্বাস করে আপনাকে স্ত্রীর মর্যাদা দেবেন, আপনার সাথে বাকি জীবন সুখে শান্তিতে ঘর করার স্বপ্ন দেখবেন, সেই মানুষটির কাছে যদি সত্য গোপন করেন তাহলে একদিন আপনিই তার কাছে হবেন সবচাইতে বড় প্রতারক। সত্য কোনদিনও চাপা থাকে না, আপু। একদিন না একদিন তিনি ঠিকই জানতে পারবেন। আর তখন ভালোবাসা দূরে থাক, আপনাকে মানুষ হিসাবেও তিনি সম্মান দিতে পারবেন না।

একটা জিনিস মনে রাখবেন, বিয়ের পর কিন্তু ব্রেকাপ হয় না। বিয়ের পর যেটা হয়, সেটাকে ডিভোর্স বলে। তালাক! আর এই তালাক নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য অত্যন্ত ভয়ংকর একটি বিষয়। আপনি নিজেই ভেবে দেখুন, প্রথম প্রেমিক নিজের ব্যাপারে মিথ্যা বলেছিল বলে আপনি তার সাথে relation রাখেন নি। সেখানে আপনি যদি মিথ্যা বলে বিয়ে করেন, কীভাবে আশা করছেন যে স্বামী আপনার সাথে relation রাখবে?

সমীকরণগুলো সহজ, আপু। এখন বাকিটা আপনার ইচ্ছা। তবে হ্যাঁ, আমি আপনার স্থানে হলে কখনোই বিয়ের জন্য অস্থির হয়ে মিথ্যা বলে একজন মানুষকে marry করতাম না। কাউকে ঠকিয়ে কোনদিনও ভালো থাকা যায় না। বরং আমি অপেক্ষা করতাম, অপেক্ষা করতাম সেই একজন মানুষের জন্য যিনি আমার অতীতের সমস্ত সত্য জেনে ও বুঝে আমাকে ভালবাসবেন ও marry করবেন। কেননা সেই মানুষটি সব জেনে আমাকে ভালবাসলে অতীতের কোন ঘটনা বা কোন প্রেমিকই আর কোন সমস্যা তৈরি করতে পারবে না আমাদের মাঝে।

দাম্পত্য মানুষের জীবনের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্কগুলোর মাঝে একটি। আর আমি বিশ্বাস করি যে এই সম্পর্কের বুনিয়াদ অতি অবশ্যই স্বচ্ছতা ও সততার ওপরে হওয়া উচিত। আর হ্যাঁ, শারীরিক সম্পর্কের প্রতি আপনার ভীতি যদি এখনো আগের মতই থেকে থাকে, সেক্ষেত্রে ব্যাপারটা নিয়ে একজন কাউন্সিলারের শরণাপন্ন হোন। বিয়ে করতে চাইলে বিয়ের পূর্বেই এই ভীতির একটি সমাধান হওয়া প্রয়োজন।