Breaking News
Home / Entertainment / ঢাকার মেয়েটি যেভাবে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিল!!! ভিডিওটি দেখলে তাজ্জব হয়ে যাবেন

ঢাকার মেয়েটি যেভাবে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিল!!! ভিডিওটি দেখলে তাজ্জব হয়ে যাবেন

বনানীর ধর্ষণের আসল ভিডিও ফাঁস করলো গাড়ি চালক!!
বি: দ্র : ই্উটিউব থেকে প্রকাশিত সকল ভিডিওর দায় সম্পুর্ন ই্উটিউব চ্যানেল এর ।

এর সাথে আমরা কোন ভাবে সংশ্লিষ্ট নয় এবং আমাদের পেইজ কোন প্রকার দায় নিবেনা।
ভিডিওটির উপর কারও আপত্তি থাকলে তা অপসারন করা হবে। প্রতিদিন ঘটে যাওয়া নানা রকম ঘটনা আপনাদের মাঝে তুলে ধরা এবং সামাজিক সচেতনতা আমাদের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য ।

ইদানিং বিয়ে বাড়িতে নাচ গানের আয়োজন আমাদের সমাজের একটা কমন সংস্কৃতিতে পরিনত হয়েছে। বেশিরভাগ বিয়ে বাড়িতে গেলেই নাচ গানের আয়োজন লক্ষ করা যায়। ঘরোয়া ভাবে হোক আর বাহির থেকে ভাড়া করে হোক অতিথিদের আনন্দ দেয়ার জন্যই এই আয়োজন হয়ে থাকে।

ঢাকার বিয়ে বাড়ি মানে অন্যদের থেকে আরেকটু আলাদা। এখানে থাকে সবকিছুরই বাড়তি বাড়তি আয়োজন। তাই বলে এমন আয়োজন সত্যিই চোখে পরার মত। যা বিয়ে বাড়ির সবাইকে তো বটেই সারা বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। বিয়ে বাড়ির কেউ একজন ভিডিওটি ইন্টারনেট এ আপলোড করে দেয়।

অত্যন্ত আকর্ষণীয় এই ভিডিওটি মাত্র ৭ দিনে কয়েক কোটি দর্শকের নজর কাড়ে। ভিডিওটি পোষ্টের নিচে দেয়া আছে। সরাসরি ভিডিওটি দেখতে স্ক্রল করে নিচে চলে যান।

অন্যরা যা পড়ছেঃ

পতিতালয় থেকে যেভাবে খদ্দের সেজে বোনকে উদ্ধার করলো ভাই
এক ভাই বছর তিনেক আগে তার হারিয়ে যাওয়া বোনকে উদ্ধার করতে খদ্দের সেজে নিজে যৌনপল্লীতে প্রবেশ করে তার বোনকে সেখান থেকে উদ্বার করেছেন।

বিহারের বেগুসরাই জেলার যৌনপল্লী বখরী এলাকায় গিয়ে ওই যুবক দুশো টাকা তুলে দিয়েছিল এক দালালের হাতে। তারপরেই সেই যুবকের ‘পছন্দ’ করা যৌনকর্মীর ঘরে যাওয়ার অনুমতি মিলেছিল। মিনিট পাঁচেকের মধ্যেই যুবকটি বেরিয়ে আসে সেই ঘর থেকে।

কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই আবারও সে ফিরে এসেছিল সেই ‘কোঠা’য়, এবারে সঙ্গে পুলিশ। যৌনকর্মীদের মধ্যে থেকে যুবকের ‘পছন্দ’ করা সেই মেয়েটি সামনে এগিয়ে এসেছিল।সে মেয়েটি দালালের হাতে টাকা তুলে দেওয়া যুবকটির বোন।

বছর তিনেক আগে হারিয়ে যাওয়া বোনকে উদ্ধার করতেই ওই যুবক ‘খদ্দের’ সেজে হাজির হয়েছিল ওই যৌনপল্লীতে।বিহারের পুলিশ সেদিন দুজন নারীকে দেহব্যবসা থেকে উদ্ধার করেছে। তাদেরই মধ্যে একজন বিহারেরই আরেক জেলা শিবহরের বাসিন্দা প্রতিমা (নাম পরিবর্তিত)।

তিনি নিজের বাড়িতে ফিরে যাওয়ার পরে ফোনে জানিয়েছেন, “বছর তিনেক আগে অশোক খলিফা নামে এক ব্যক্তি সীতামাড়ী জেলা থেকে আমাকে ফুঁসছিলে বুখরীতে নিয়ে যায়। তারপর থেকেই ওই কাজ করাতে বাধ্য করেছিল সে।”

ছোট ছেলেকে নিয়ে তখন থেকেই বখরীর ওই যৌনপল্লীতে একরকম বন্দী জীবন কাটাতেন ওই নারী।বাইরের জগতের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ রাখতে দেওয়া হতো না।